আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :
«» রায়পুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু «» ৬০ বছরেই ছাড়তে হবে প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্ব «» ৬০ বছরেই ছাড়তে হবে প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্ব «» সোনারগাঁয়ে শিক্ষকদের সাথে আবু নাইম ইকবালের মতবিনিময় সভা «» মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর বাবেশিকফো ছাতক উপজেলার পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান «» অতিরিক্ত ৪% কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিল ও জাতীয়করণের দাবীতে শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম এর সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান «» রায়পুর সরকারী কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত «» কোচিংয়ের সব দায় শিক্ষকের নয় «» অনুমোদন পেল আরও তিন ব্যাংক «» অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি

উইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ জয় টাইগারদের-শিক্ষার কণ্ঠস্বর

অনলাইন ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট কিটসে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শেষ দুই ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল। ৪৯তম ওভারে রুবেলের দুর্দান্ত বল থেকে মোটে ৬ রান নিতে পারেন পাউয়েল এবং নার্স। শেষ ওভারে ক্যারিবিওদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৮ রান। মুস্তাফিজের করা শেষ ওভার থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ৯ রান নিতে পারে। তাতে বাংলাদেশের ১৮ রানের জয় নিশ্চিত হয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয়ে ২০০৯ সালের পর এশিয়ার বাইরে সিরিজ জয় করলো মাশরাফি-তামিমরা। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চার বছর ধরে কোন সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়নি।
এর আগে প্রথমে টস জিতে বাংলাদেশ নির্ধারণী ৫০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ৩০১ রান তোলে। বাংলাদেশ পক্ষে তামিম ইকবাল ১২৪ বলে ১০৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন।এছাড়া মাহমুদুল্লাহ খেলেন অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংস। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা ৩৬ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন। দলের পক্ষে আগের দুই ম্যাচে ফিফটি পাওয়া সাকিব করেন ৩৭ রান।
জবাবে ক্যারিবিও দুই ওপেনার ক্রিস গেইল এবং ইভান লুইস ভালো শুরু করেন। ১০.১ ওভারেই তারা তুলে ফেলেন ৫৩ রান। এরপর মাশরাফির দারুণ এক বলে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লুইস। অপর প্রান্তে থাকা গেইল অবশ্য একাই দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ৬৬ বলে ৭৩ রান করা গেইলকে মেহেদির ক্যাচে পরিণত করেন রুবেল।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং দানব ফিরে যাওয়ার আগে পাঁচটি ছয় এবং ছয়টি চারের মার মারের। ২১.৫ ওভারে দলীয় ১০৫ রানের মধ্যে গেইল একাই করেন ৭৩ রান। গেইলের আউটের পর হেটমায়ার এবং শাই হোপ দলের হাল ধরেন। তাদের দু’জনের জুটি থেকে আসে ৬৭ রান।
আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা হেটমায়ার ৪২ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন এ ম্যাচে। ধীর গতিতে এগুনো শাই হোপ ৯৪ বলে ৬৪ রান করে ফেরেন মাশরাফির বলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ৪৩.১ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৪। হোপের আউটের পর দলের হাল ধরেন রোভম্যান পাওয়েল। তিনি ৪১ বলে অপরাজিত ৭৪ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন।
বাংলাদেশের পক্ষে ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৬৩ রানে ২ উইকেট নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি। এছাড়া রুবেল হোসেন ৭ ওভারে ৩৪ রানে নেন ১ উইকেট। মেহেদি মিরাজ এবং ‍মুস্তাফিজ নেন ১টি করে উইকেট। দারুণ এক সেঞ্চুরি করায় ম্যাচ সেরা হন তামিম। এছাড়া তিন ম্যাচে দুই সেঞ্চুরি এবং এক ফিফটিতে ২৮৭ রান করায় সিরিজ সেরাও হন তামিম।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ