আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিচার করতেই হবে: জাতিসংঘ

 

  অনলাইন ডেস্ক

 

মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার জন্য দেশটির সেনাপ্রধান এবং আরও পাঁচ শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে।

মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং (তথ্য অনুসন্ধান) মিশনের চেয়ারপারসন মারজুকি দারুসমান তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন উপলক্ষে সোমবার জেনেভায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। খবর এএফপির

তিনি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যের উত্তরের গণহত্যার তদন্ত করে সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংসহ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’

গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলে অভিহিত করে, যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতা বিরোধি অপরাধ।

রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে প্রায় ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, রাখাইনে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ করছে এবং তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

তবে বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে মিয়ানমার সরকার। বরং তারা রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দমনেই রাখাইনে সেনা অভিযান চালানো হয় বলে দাবি করে তারা।

তবে সোমবার জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে তাতে সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে ‘প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে যথাযথ ও সঙ্গতিপূর্ণ নয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৭ সালের মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গঠিত এই মিশনের প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

রাখাইন রাজ্যে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং যেভাবে এসব অপরাধ ঘটানো হয়েছে তা গণহত্যার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ