আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :
«» আনন্দমোহন কলেজ থেকে বোরকা পরা যুবক আটক «» অফিস সহকারীর কান্ড! বহিরাগত বখাটেদের হামলায় ২১ এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত «» ইন্টারনেটের দাম কমছে «» কেন্দুয়ায় গড়াডোবা ইউনিয়নের অান্তঃবার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত «» এসএসসির প্রশ্ন যাবে অ্যালুমিনিয়ামের ফয়েলে তৈরি বিশেষ খামে «» ২২ জানুয়ারি থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী «» পায়রাবন্দরে তাপ-বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুনে পুড়ে গেছে একটি প্রকল্প-প্রজেক্টের ওয়ার্কশপ «» সোনারগাঁয়ে ৪০ জন দরিদ্র শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস দিলেন শিক্ষানুরাগী আবু নাঈম ইকবাল «» স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খেতে পারেন আদা «» স্বরুপকাঠীতে মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারীদের শিক্ষক কল্যান সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ছাতকের মনির জ্ঞাতি গ্রামের মেধাবী ছাত্র শামিমের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

মোঃ আবু খালেদ,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

নীলফামারী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে
ছাতক উপজেলার মুনির জ্ঞাতি (মনিপুর) গ্রামের দারিদ্র কৃষক আব্দুল কাহারের বড় ছেলে শামিম আহমদ। ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় তার অবস্থান ৪০৮৯তম। ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ভর্তি হতে হবে তাকে।কিন্তু এখনও ভর্তি ও আনুষাঙ্গিক খরচের টাকা জোগার করতে পারেনি শামিম। এ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে তার পরিবার।
২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শামিম উপজেলার মুনির জ্ঞাতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একমাত্র গোল্ডেন এ প্লাস এবং ২০১৮ সালে সিলেট এম,সি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ছোটবেলা থেকে শামিম মেধাবী হওয়ায় এস,এস,সি পাসের পর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে । এজন্য বাড়িয়ে দেয় পড়াশোনা।আর সে টিউশনে করে পড়া লেখার খরচ জোগাড় করে। এইচ,এস,সি পাসের পর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে নীলফামারী সরকারি মেডিকেল কলেজে চান্স পায় সে। চান্স পেয়েও যেন আনন্দ ধরা দেয়নি তাকে তার পরিবারকে। তাদের সব আনন্দ আটকে যায় অর্থের চিন্তা করতেই।

ছাতক উপজেলার দক্ষিন খুরমা ইউনিয়নের মুনির জ্ঞাতি (মনিপুর) গ্রামের দারিদ্র কৃষক আব্দুল কাহার ও গৃহিণী আছারুন নেছার বড় ছেলে।অন্যের জমিতে কৃষি কাজ করে জীবন ধারন করেন।তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় সে। ছোট মেয়ে মুনির জ্ঞাতি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট শ্রেনিতে পড়ে। বাকি ছেলে মেধাবী থাকা সত্ত্বেও অর্থের অভাবে লেখা-পড়া করাতে পারেন নি তিনি । দীর্ঘদিন থেকে তাদের অভাব অনটনের লেগেই আছে সংসার।তার বাবা আব্দুল কাহার জানান, তার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। তার পক্ষে ছেলের ডাক্তারি পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব।
মুনিরজ্ঞাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান জানান, দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও শামিম সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার করার চান্স পেয়েছে। যা অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক। আশা করি সমাজের বিত্তবান মানুষগুলো শামিমের পাশে দাঁড়াবে।
শামিমকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন তার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৌলানা আজিম উদ্দিন – -8801731-114995 ও মোঃ শামিম আহমদ — বিকাশ নং – 01780934192 নম্বরে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ