আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

থাইল্যান্ডে গুহায় আটকে পড়া সবাই উদ্ধার-শিক্ষার কণ্ঠস্বর

অনলাইন ডেস্ক

চরম ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া সবাইকে বাইরে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছেন ডুবুরিরা। খবর বিবিসির
মঙ্গলবার কোচসহ ৫ জনকে বের করে আনা হয়। এর আগে গত দুই দিন ধরে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গুহা থেকে বের করে আনা হয়েছিল।
থাম লুয়াং গুহা ভিতরের এই অভিযান বিশ্বব্যাপী সবার মনোযোগ কেড়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যার কারণে গত ২৩ জুন এই দলটি গুহার ভেতর আটকা পড়ে। পরে গত সপ্তাহে তাদের সন্ধান পান ডুবুরিরা।
গুহা উদ্ধারকৃত কিশোরদের কাউকেই জনসমক্ষে আনা হয়নি। তবে তারা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছে বলে জানানো হয়েছে।
থাই কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কিশোরদের এখনও বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। ওই কিশোররা জাউ ভাত খেতে পারছে। তারা মাংস ও চকলেট খেতে চাইলেও হজমে সমস্যা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তাদের সেটা দেয়া হচ্ছে না। কেননা তারা প্রত্যেকেই কয়েকদিন ধরে না খেয়ে ছিল।
এর আগে গত ২৩ জুন ১২ সদস্যের একটি কিশোর ফুটবল দল এবং তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচ উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চিয়াং রাইয়ের ‘থাম লুয়াং’ গুহায় প্রবেশ করে। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে গুহার ভেতর পানি ঢুকে পড়লে দলটি আটকা পড়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর ডুবুরিরা দলটির সন্ধান পায়। ওই কিশোরদের বয়স ১১ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে।
উদ্ধার করা কিশোরদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করছে না থাই কর্তৃপক্ষ। যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের বাবা-মাকেও হাসপাতালে ডাকা হচ্ছে না। এসব অভিযোগের জবাবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, সংক্রমণের ভয়ে তাদের কাছে বাবা-মা বা আত্মীয় স্বজনকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। নাম-পরিচয় গোপন রাখার বিষয়ে উদ্ধার অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক নারোংসাক ওসাটানাকর্ন বলেন, সবাইকে উদ্ধার করার আগে নাম-পরিচয় বলা যথার্থ হবে না। এতে যারা এখনও বেরিয়ে আসেনি, তাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যেতে পারে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ