আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা হলে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক উদ্বেগ, অতিরিক্ত পরিশ্রম, স্নায়বিক দুর্বলতা ইত্যাদি নানা কারণ রক্তচাপকে প্রভাবিত করে। অনেকে মনে করেন, উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে নিম্ন রক্তচাপ কম ভয়ের। কিন্তু এটা মোটেও ঠিক নয়। চিকিৎসকদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের মতো নিম্ন রক্তচাপও হৃদযন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। রক্তচাপ কমে গেলে মস্তিষ্ক, কিডনি, হৃৎপিণ্ডে ঠিক ভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না। তখন অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা, চোখে অন্ধকার দেখা, বমি বমি ভাব, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এরকম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে তার আগে ঘরোয়া উপায়ে এর প্রতিকারের উদ্যোগ নিতে পারেন।
চিকিৎসকদের মতে, রক্তচাপ ৬০/১১০ এর নিচে নেমে গেলেই নিম্ন রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। এরকম হলে প্রথমেই রোগীকে লবণ পানি দিন। এক গ্লাস পানিতে ২ থেকে ৩ চা চামচ চিনি ও এক চা চামচ লবণ মেশান। লবণের সোডিয়াম ও চিনির শর্করা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তবে ডায়াবেটিসের রোগী হলে শুধু লবণ পানি খাওয়াই ভাল।
নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা হলে রোগীর ঘাড়ে, কানের লতির দু’পাশে ও চোখে-মুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিতে পারেন। এতে রোগী অনেকটা সুস্থ বোধ করবে।
ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় তাড়াতাড়ি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।নিম্ন রক্তচাপের সমস্যায় কড়া করে খফি খেতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
নিম্ন রক্তচাপের সমস্যায় যষ্টিমধু খুবই কার্যকর। এটি রক্তচাপের ভারসাম্যও বজায় রাখে। বাড়িতে যষ্টিমধু থাকলে এক কাপ পানিতে ১০০ গ্রাম যষ্টিমধু মিশিয়ে রাখুন। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর রোগীকে পানিটা খেতে দিলে উপকার পাওয়া যাবে।
অনেকসময় শরীরে প্রোটিন কমলেও রক্তচাপের উপর তার প্রভাব পড়ে। তাই নিম্নচাপের সমস্যা হলে রোগীকে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন- ডিমের কুসুম ও দুধ খেতে দিন। সূত্র : জি নিউজ

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ