আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

পায়রা বন্দর প্রশাসনিক ভবন এবং পুনর্বাসন  প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশিক্ষণ কার্য্যক্রমের  শুভউদ্বোধন॥

মোয়াজ্জেম হোসেন , পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥
পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সাবইকে একটি বাড়ী প্রদান করা হবে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পায়রা বন্দর নির্মানে আপনারা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার জন্য এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ আগস্ট) বেলা এগারটায় দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রার নব নির্মিত প্রশাসনিক ভবন ও পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষন কার্যক্রম উদ্ভোধন করার সময় এসব কথা বলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির ভাষনে নৌ-মন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ মাহাবুবুর রহমান, পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মাসুমুর রহমান, পুলিশ সুপার মো.মইনুল হোসেন প্রমুখ।
বারো কোটি সত্তোর লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫৮০০ স্কয়ার ফুটের পাঁচ তলা পায়রা বন্দর প্রশাসনিক ভবন নির্মান কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। বন্দর সংশ্লিস্ট বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ভূমি অধিগ্রহনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। এসব পরিবারের সাড়ে তিন হাজার সদস্যের মধ্যে ১৫০ জনকে কম্পিউটার, মেশিন (রাজমিস্ত্রী), ড্রাইভিং প্রশিক্ষন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল সদস্যকে প্রশিক্ষিত করে পুর্নবাসন করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। এসব পরিবারে পুর্নবাসনের জন্য ৪৯৩ একর জমিতে ১৪টি প্যাকেজের আওতায় সাড়ে তিন হাজার বাড়ি নির্মানসহ মসজিদ, স্কুল নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ