আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

বদলি চাই নাকি জাতীয়করণ?

★★বদলি চাই নাকি জাতীয়করণ?

৯০%শিক্ষক জাতীয়করন চায়।৯৫%শিক্ষক বদলি চায় কারন জাতীয়করণ হওয়া একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।২০১৪ সাল থেকে প্রায় ৬০০প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন উদ্যোগ নেয়া হলেও আজও শেষ হয় নি।সম্পুর্ন সুযোগ সুবিধা পেতে আরো কত সময় লাগবে জানা নেই।।

১৯৯৫সালের পরবর্তী সময় থেকে বদলি বিষয়ক আলোচনা শুরু হলো, সিদ্ধান্ত হলো নীতিমালাও জারী হল।কিন্তু আজও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে অসং্খ্য শিক্ষক বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে, শারীরিক ও মানুষিকভাবে লাঞ্চিত হচ্ছে যা আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি।

বদলি ব্যবস্থা না থাকায় ৫০০/৭০০ কিঃমিঃ দুরে চাকরি করার ফলে নিজের পরিবার পরিজন ও বৃদ্ধ বাবা মায়ের সেবা এমনকি মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারছেন না।স্বল্প বেতনে দুরে চাকরি করে অর্থাভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে।।
বদলি ব্যবস্থা না থাকায় চাকরির নিরাপত্তা নেই।সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু শিক্ষক দুর্নীতি,একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে।ভর্তি বানিজ্য, কোচিং বানিজ্য ও অনৈতিক কর্মকান্ডের সহিত জড়িত হচ্ছে যা সকল শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।।

জাতীয়করন মুল দাবী। বদলি আরো জরুরী কারন শিক্ষক বিভিন্ন সংগঠনের উদাসীনতা একযোগে জাতীয়করন পক্ষে আন্দোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।
গতবছর একদফা দাবী জাতীয়করন লক্ষে অনশন করলেও মাত্র ৫%ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা পেয়েছি।জাতীয়করন লক্ষে এখনো কাজ করছে ফোরাম ও বাশিস নজরুল।
( ইউপি চেয়ারম্যানঃরাজনৈতিক বক্তব্য যেমন আমি আপনাদের সকল সমস্যা সমাধান করব।উন্নত করব সহ বিভিন্ন ইশতেহার।৫বছর পর সম্পুর্ন হয় কতটুকু?জাতীয়করন এখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী, আমলারা যখন সদয় হবেন জাতীয়করন পাবেন।নইলে দুটি একটি করে ভাতা)

তাই আসুন বদলি বিরোধিতা না করে সহযোগিতা করি।কারন জাতীয়করন এখনো হাতের মুঠোয় আসেনি।
বদলীর সাথে জাতীয় করণ এর কোনো সাংঘর্ষিক কিছু নেই। বদলীর দাবি ও জাতীয় করণের দাবি এক সাথে চলতে পারে।
ধন্যবাদান্তে,
মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,
প্রভাষক(ইংরেজী),
সমষপুর কলেজ,
মুন্সীগঞ্জ।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ