আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

বেনাপোল স্হল বন্দরে বেড়েছে পেঁয়াজ আমদানি-শিক্ষার কণ্ঠস্বর

জয়নাল আবেদীন,জেলা প্রতিনিধি,যশোর।।
আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে যশোরের সর্ববৃহৎ স্হলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আসা পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে তিনগুন। ১৩টাকা কেজি দরে আমদানি করা হচ্ছে ভারতীয় পেয়াজ। স্থানীয় বাজারে ভারতীয় পেয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকলেও দেশী পেয়াজের দাম বাড়ছে বলে জানান ক্রেতারা। এপ্রিল ২০১৮ গত এক মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৫ হাজার ৭শ ৩৯মে: টন পেয়াজ আমদানি করা হলেও চলতি মাসে গত ১৩ দিনে এসেছে ১৩ হাজার ২শ মে: টন পেয়াজ।
দেশীয় মসলা পেয়াজের চাহিদা ও ঘাটতি মেটানো হয় উৎপাদিত পেয়াজ সহ আমদানিকৃত পেয়াজ দিয়ে। বেনাপোল ও ভোমরা শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে ভারত থেকে অধিকাংশ পেয়াজ আমদানি করা হয়। রমজান মাসে পেয়াজের চাহিদা বাড়ায় বেনাপোল স্থলপথে বাড়ছে আমদানি।দেশী পেয়াজের দাম বাড়লেও ভারতীয় পেয়াজের দাম বাড়েনী- ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাড়ছে দাম অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজার মনিটরিং সহ ব্যবসায়িদের প্রতি প্রশাসনিক নজরদারী থাকলে রমজানে মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বাড়বে না দাম ক্রেতারা হবেন উপকৃত এমনটাই আশা তাদের।
বেনাপোল নাভারন শার্শা ও বাগআঁচড়া সহ স্থানীয় বাজারে ১৮থেকে ২২টাকায় দরে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় পেয়াজ-আর দেশী পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। পেয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরো কমবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ভারত থেকে আসা অরবিন্দও কাত্তিক দে জানান,বন্দরে দ্রুত পেয়াজের চালান খালাস হচ্ছে এতেই খুশি ট্রাক ড্রাইভার ও খালাসিরা।
২৪ঘন্টা চলছে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রফতানি। পেয়াজ খালাস চলছে দ্রুত গতিতে বন্দর ও কাষ্টম সংশ্লিষ্টরা পেয়াজের চালান দ্রুত গতিতে খালাস দিতে করছেন কাজ। পেয়াজের ঘাটতি মেটাতে আমদানি বাড়ছে বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল বন্দর পরিদর্শক মনির হোসেন জানান, দিন দিন বাড়ছে পেয়াজের আমদানি-গত ৪৩ দিনে এ বন্দর দিয়ে এসেছ ৩৯ হাজার মে: টন ভারতীয় পেয়াজ।২৪ঘন্টা বন্দর খোলা থাকায় ব্যাবসায়িরা হচ্ছেন উপকৃত। কাচামাল খালাস রাতে দিনে চলছে সমান গতিতে। বন্দর ও কাষ্টম কর্তৃপক্ষ আমদানি রফতানি বানিজ্যে দ্রুত পন্য খালাসের চেষ্টা করছেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ