আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :
«» জলাতঙ্ক থেকে বাঁচার উপায় «» সাহিত্যের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মোস্তফা কামালের ‘থ্রি নভেলস’ «» ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সামবেশ «» দুমকিতে ডাব খাওয়ার অপরাধে দু’ছাত্রকে মারধর,শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ধাওয়া-পাল্টা «» কলাপাড়ায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার ও উন্নয়ন ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা «» স্বরুপকাঠীতে শিক্ষক সমিতির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত «» নদী বিষয়ক বইমেলা উদ্বোধন «» নরসিংদীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন «» ঢাকায় সাপের দংশনে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের «» লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মুক্তিযোদ্ধারা বছরে পাঁচটি বোনাস-ভাতা পাবেন: আ ক ম মোজাম্মেল হক

শেরপুর প্রতিনিধি

মুক্তিযোদ্ধারা এখন থেকে পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসসহ বছরে পাঁচটি বোনাস- ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকেই তা কার্যকর হবে।
শুক্রবার শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মুক্তমঞ্চে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সোহাগপুরের শহীদ জায়াদের সংবর্ধনা, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।
আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, দেশের সব মেডিকেল কলেজ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য একটি ফান্ড করা হয়েছে। সেই ফান্ডে ইতিমধ্যে টাকাও পাঠানো হয়েছে। পিজি, বারডেম, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, পঙ্গু ও চক্ষু হাসপাতালে অগ্রিম ৫০ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় যেখানেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছে, সেসব স্থানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে ২৮টি জেলায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনও বেঁচে আছেন, তাদের যুদ্ধস্মৃতি নিয়ে কমপক্ষে ১০ মিনিটের ভিডিও তৈরি করে সংরক্ষণ করা হবে। সারাদেশের বদ্ধভূমিগুলোতে একই নকশার স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি এলাকায় মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাহিত করার জন্য একই নকশার কবরস্থান এবং জেলা-উপজেলায় অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাসস্থান নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।
পুলিশ সুপার আশরাফুল আজীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়ার আমলে একের পর এক মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এমনকি জাতীয় সঙ্গীত পর্যন্ত বাজানো হয়নি। রাজাকারদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যা করেছেন, কোনো সরকার তা করেনি।
অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, জেলা প্রশাসক আনারকলি মাহবুব, শেরপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির রুমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ছানোয়ার হোসেন ছানু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শামসুন্নাহার কামাল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী নকলা এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন। নালিতাবাড়ীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সোহাগপুরের ২৯ শহীদ জায়াকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।সুত্র সমকাল

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ