আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

শার্শার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ -শিক্ষার কণ্ঠস্বর

জয়নাল আবেদীন,জেলা প্রতিনিধি,যশোর।।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছে জনসাধারণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সচেতন মহল প্রার্থী নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।
সূত্র মতে, আগামী বছর একাদশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে প্রার্থী হতে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করে জানান দিচ্ছেন প্রার্থীতার কথা।

পাড়া-মহল্লাগুলোতে চলছে নির্বাচনী আমেজ। রাজনৈতিক কর্মী ছাড়াও বেড়েছে গরীব অসহায় দুস্থ মানুষের কদর।উপজেলা এগারটি ইউনিয়ন ও বেনাপোল পৌরসভা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা- ৮৫ যশোর -১ (শার্শা) আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২৯ হাজার ২ শ ৯৩ জন ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭ শ ৮২ জন।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে এবার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শেখ আফিল উদ্দিন, জেলা আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেনাপোলের মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসাইন, মুক্তিযুদ্ধকালিন শার্শা থানার মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ও সাবেক এডিশনাল আই,জি,পি আবদুল মাবুদ পিপিএম।

বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় বহিঃস্কৃত সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক মহসিন কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুজ্জামান মধু, সাধারন সম্পাদক আবুল হাসান জহির, জামায়াত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান, জাতীয় পাটির চিত্র নায়িকা শাবনূর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলহাজ্ব বক্তিয়ারের নাম শোনা যাচ্ছে।

বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ আফিল উদ্দিন আওয়ামীলীগের ব্যানারে দুইবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ২০ দলীয় প্রাথী জামায়াতের মাওলানা আজিজুর রহমানকে হারিয়ে প্রথম বারের মত এমপি নির্বাচিত হন।
সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হন।২০০১ সাল থেকে এ যাবদ কাল পর্যন্ত সুখে দুখে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তিনি নিজের অবস্থান সুদৃড় করে নিয়েছেন।

তবে বসে নেই জেলা আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেনাপোলের মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। তিনিও নিয়মিত এলাকায় রাজনৈতিক, সামাজিক সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করে উপজেলা ব্যাপী নিজের অবস্থান তৈরী করেছেন।যার ফলে এ উপজেলায়
সাংগঠনিক দিক দিয়ে আওয়ামীলীগের অবস্থান ভাল হলেও দুগ্রুফের কোন্দলনে জর্জরিত হয়ে দুই মেরুতে অবস্থান করছে নেতাকর্মীরা।

এমতাবস্থায় আওয়ামীলীগের দীর্ঘ দিনের এ আসনটি ধরে রাখতে হলে ,তৃতীয় পক্ষ হিসাবে দলের দুরসময়ের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের হয়ে রাজপথ থেকে গড়ে ওঠা বি এন পি জামাত জোট সরকার পতন ও ১/১১ এ দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনের রাজপথের পরিক্ষীত নিবেদিত ছাত্রলীগ নেতা ,তরুন নেতৃত্ব, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসাইনের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন তৃনমূল নেতাকর্মীরা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ