আজ   ,
সংবাদ শিরোনাম :

হাবিবা রহমান খান কে মহিলা সংসদ সদস্যের দাবি নেত্রকোণা বাসীর

ফারুক আহাম্মেদ ঃ বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রকোণা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। সাবেক তিন বারের আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য নেত্রকোনা জেলার আওয়ামীলীগের সিংহপুরুষ মরহুম ফজলুর রহমান খানের সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি এবং চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জনাব হাবিবা রহমান খান শেফালীকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় নেত্রকোনা জেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
হাবিবা রহমান খান শেফালীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ‘আমি পারিবারিকভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির আদর্শে রাজনৈতিক পরিবার থেকে বেড়ে উঠেছি। আমার রাজনৈতিক জীবন ছোটবেলা থেকেই আমার বাবার হাত ধরে শুরু। আমার বাবা ছিলেন নেত্রকোনা জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, এবং সাবেক সাংসদ বাবার রাজনৈতিক আদর্শ আমাকে প্রভাবিত করেছে। রাজনীতিতে আমি সব সময় সক্রিয় ছিলাম আছি এবং থাকব। ছোটকাল থেকে রাজনীতির মাঠে ছিলাম নৌকার প্রচারণায়। এছাড়াও নানারকম সামাজিক কার্যক্রমে আমি জড়িত।
দেখেছি দেশের বঞ্চিত নারী ও শিশুরা কতো প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়। তাদের জন্য অনেক কিছু করার পরিকল্পনা আছে আমার। তার বাস্তবায়নের জন্য আমার সংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। সেজন্য সবকিছু ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাই।

এবারর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সক্রিয় ছিলেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় নির্বাচনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভিডিও বার্তাসহ নেত্রকোনার প্রত্যেকটি গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ছুটে গেছেন নৌকার প্রার্থী জনাব আশরাফ উদ্দিন খান খসরুর জন্য। তার এমন ব্যাপক প্রচারণা অনলাইন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে সারা দেশ জুড়ে সাড়া জাগায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নেত্রকোনা জেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি এমন পরিশ্রমী মেধাবী সৎ ব্যক্তিত্ব, হাবিবা রহমান খান কে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ের ধারাবাহিতা রক্ষায় অংশীদার হিসেবে সুযোগ দেওয়া হউক ।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।


ঘোষনাঃ