ঢাকাSunday , 22 November 2020
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অপরাধ ও দুর্নীতি
  4. আইন ও আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকুরির খবর
  9. জাতীয়
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. নারী ও শিশু
  13. বিনোদন
  14. মুক্তিযুদ্ধ
  15. রাজনীতি

ধাপে ধাপে হোক, তবুও হোক জাতীয়করণ  

Link Copied!
ad

  এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি এখন টক অফ দা কান্ট্রিতে পরিনত হয়েছে। মহান জাতীয় সংসদেও এ দাবি উপস্থাপিত হয়েছে। জবাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন তাতে বুঝা গেলো জাতীয়করণের সঠিক হিসাবটি এখন পর্যন্ত তার সমীপে যথাযথ ভাবে কেউ উপস্থাপন করেন নি। বেসরকারি শিক্ষকরা জাতীয়করণের প্রায় কাছাকাছি। আর অল্পকিছু সুযোগ সুবিধা দিলেই জাতীয়করণ সম্ভব। এ হিসাব টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষক নেতাদের তুলে ধরতে হবে।
   বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি কোন দিন জাতীয়করণ করা হয় তবে তা এ সরকারই করবেন। বেসরকারি শিক্ষার উন্নয়নে এ সরকার যা করেছেন তা ইতিপূর্বে কেউ করতে পারেননি। সমগ্র শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণের সাহস বর্তমান সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনারই রয়েছে- এমন ধরনের আরো অনেক কথা আজ বেসরকারি শিক্ষকদের মুখে মুখে।
 আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৫ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে বেসরকারি শিক্ষকরা। অথচ সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে পার্থক্য আকাশ পাতাল।
  বর্তমানে করোনার ভয়াল ছোবলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মারাত্মকক্ষতি হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বন্ধ আছে দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কবে নাগাদ খোলা হবে তাও অনিশ্চিত। এহেন পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। অথচ এটা ব্যয়বহুল। অল্প বেতনে চাকরি করা বেসরকারি শিক্ষকদের পক্ষে এটা চালিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টকর। আর শিক্ষার্থীদের জন্য তো আরো কষ্টের। তাই করোনায় শিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে এবং স্বল্প খরচে ছাত্র ছাত্রীদেরকে শিক্ষার সুযোগ দিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বিকল্প নাই।
 বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ খুব একটা দূরে নয়। বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষকদেরকে তাদের স্কেলের শতভাগ  বেতন দেয়া হয়। দুটি উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, কম করে হলেও বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতাও দেয়া হয়।  বিভিন্ন সময় প্রদত্ত মহার্ঘ ভাতাটাও তারা পান। এযাবৎ কালের সকল জাতীয় পে স্কেলের আওতায়ও আনা হয়েছে তাদেরকে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ন্যায় বাৎসরিক ৫% প্রবৃদ্ধিও দেয়া হয়েছে তাদেরকে। কম করে হলেও রয়েছে অবসরে এককালীন  সুবিধা।বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রচুর বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। তদুপি প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রয়েছে ছাত্র বেতন, স্হাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, জেনারেল ও রিজার্ভ ফান্ড সহ বিভিন্ন ধরনের আয়ের উৎস। সব মিলিয়ে জাতীয়করণের খুব কাছাকাছি তারা।
 জাতীয়করণে সরকারের বড়তি কিছু ব্যয় রয়েছে। তবে সরকার যদি ইচ্ছা করেন তাহলে জাতীয়করণের কাজটি তিন ধাপে খুব সহজেই করতে পারেন।
  প্রথম ধাপে- শুধু চাকরির নিরাপত্তা প্রদান করে জাতীয়করণ ঘোষণা।
  দ্বিতীয় ধাপে- বাড়ি ভাড়া, বোনাস, ও মেডিকেল ভাতা প্রদান।
  তৃতীয় ধাপে- পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান।                             তাই, এই মুহুর্তে প্রয়েজন শিক্ষক নেতৃবৃন্দের একত্রিত হয়ে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে বিষয়টি বুঝানো। আমার বিশ্বাস, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জাতীয়করণের হিসাবটি তুলে ধরতে পারলে  এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  জাতীয়করণ সময়ের ব্যাপার মাত্র।
লেখক:
মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন
প্রভাষক,
জিরাইল আজিজিয়া ফাজিল মাদরাসা
বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।