অনেকটা তড়িঘড়ি  করেই সিদ্ধান্ত হল নেত্রকোনা জেলার অ্যাম্বাসাডর ও নেত্রকোনা অনলাইন স্কুলের শিক্ষকগণ মিলে, কোভিড-২০১৯ এর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ও মাক্স বিতরণ, ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা পরিদর্শন, অনলাইন স্কুলের প্রচারণা ইত্যাদি কর্মসূচি নিয়ে ঈদ পরবর্তী একটি নৌ-ভ্রমণ করার।
সেই পরিকল্পনা মোতাবেক গত ৪ আগস্ট ২০২০ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার মদন উপজেলার উচিতপুর হাতে ট্রলারযোগে রওনা হব খালিয়াজুরী কৃষ্ণপুরের উদ্দেশ্যে। তাই যার যার অবস্থান থেকে ৪ তারিখ সকাল ৮ টার  পূর্বেই আমরা মিলিত হব উচিতপুর ট্রলার ঘাটে। নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার জেলা অ্যাম্বাসেডর ও শিক্ষকগণ আমরা সকলেই সকাল আটটার পূর্বেই পৌঁছে যাই মিনি কক্সবাজার নামে খ্যাত মদন উপজেলার উচিতপুর ট্রলার ঘাটে। উচিতপুর পৌছেই চোখের ফ্রেমে ধরা পড়ে অপূর্ব দৃশ্য যা হয়তো আপনাকে বলে বোঝানো যাবে না । এখানে প্রায় প্রতিদিনই অনেক পর্যটক আসেন তাদের প্রকৃতি প্রেমের পিপাসা মেটানোর জন্য।


কবির স্যার ও চঞ্চল স্যারের সহায়তায় পূর্বেই ভাড়া করা ট্রলারটি অপেক্ষা করছিল আমাদের কে বহন করার জন্য।
ট্রলারে ওঠে মোফাক্কারুল স্যারের ময়মনসিংহ থেকে আনা গেঞ্জি গুলো আমরা পড়তে  লাগলাম আমাদের ফিটিং অনুযায়ী। গেঞ্জি পড়ে মনে হল শরীরের সাথে  একদম মিশে গেছে এত সফট্ এবং আরামদায়ক ছিল।
এরপর আমরা একে অন্যের সাথে কুশল বিনিময় করে রোমা ম্যাডামের নেতৃত্বে রওনা হলাম খালিয়াজুরী কৃষ্ণপুরের উদ্দেশ্যে। ট্রলার ছাড়ার সাথে সাথে অনুভব করলাম এক অন্যরকমের অনুভূতি। মাথার উপর রবি মহাশয় যখন তার তেজস্ক্রিয়তা প্রকাশ করতে ব্যস্ত ছিল তখন মৃদু-মন্দ বায়ু এসে আমাদেরকে জড়িয়ে নিল তার শীতল চাদরে। শরীর ও মনকে নিমিষেই শীতল করে দিল।
ফাতেমা ম্যাডাম ও রুহুল আমিন স্যার সাথে করে নিয়ে আসলেন আমাদের জন্য সকালের নাস্তা। রুহুল আমিন স্যার বিতরণ করতে শুরু করলেন বিরিয়ানির প্যাকেট। আমরা যখন বিরিয়ানি খাচ্ছিলাম তখন ফাতেমা ম্যাডাম বলে উঠলেন আপনাদের জন্য চেপা ভর্তা ও পিঠা রয়েছে সেটাও খাবেন। একদিন কথার ছলে  ফাতেমা ম্যাডামকে বলেছিলাম আপনি চেপা ভর্তা এবং পিঠা নিয়ে আসবেন আমরা ট্রলারে বসে খাব। যখন ম্যাডাম সে কথা বললেন তখন খুবই আশ্চর্য হয়ে ছিলাম। তৎক্ষণাৎই ম্যাডাম বলে উঠলেন আমার ভাই বলেছে, আমি কি আর না এনে পারি। তখন ভাবলাম মানুষগুলো কতনা সহজেই অন্যকে আপন করে নিতে জানে।


কিছুক্ষণ পড়েই পৌঁছে গেলাম বোয়ালী ব্রিজে এখানে আমাদের সাথে যুক্ত হলেন মোহনগঞ্জের জিয়া স্যার ও শেখর মুখার্জি স্যার । বোয়ালী ব্রিজ পার হয়ে আমরা প্রবেশ করলাম এক বিশাল হাওড়ে,  সামনে তাকালেই চোখে পড়ে শুধু জল আর জল একেকটি  ঢেউকে  দেখে মনে হয় যেন একেকটি বিশাল আকারের দানব। আমাদের ট্রলারটিও যেন তার শক্তিমত্তার জানান দিয়ে বিশাল জল তরঙ্গের মধ্যে নিজের রাস্তা তৈরি করে এগিয়ে চলছে সমানতালে। চোখের ফ্রেমে যে দৃশ্য অবলোকন হল, মুহূর্তেই হারিয়ে গেলাম জীবনানন্দ দাসের রূপসী বাংলায়। যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিকরা তো এই বাংলারই জয়ধ্বনি করেছেন। মনে পড়ে গেল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতাটির কথা-
           

  বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে               

         বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে   

         দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,                     

           দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।     

       দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া 

        ঘর হতে শুধু দু’পা ফেলিয়া   

        একটি ধানের শিষের উপর               

         একটি শিশির বিন্দু।


তাই চিৎকার করিয়া বলিতে ইচ্ছে করে, ভাই-রে ! সুন্দর খুঁজিয়া বেড়াও ? দেখ না ভাই তোমার দুয়ারেই কি অপরূপ সৌন্দর্যের ডালি বিছানো রয়েছে।
ও যা, কথার খেই হারিয়ে ফেললাম। প্রকৃতিতে আসলে মনে হয় মানুষের এরকমই হয়।
ফারুক স্যার শুরু করে দিলেন ফেসবুক লাইভ। একে একে সবার কাছে গিয়ে তাদের অনুভূতির কথা লাইভে প্রচার করেছিলেন। এক এক জন স্যার তার অসাধারণ অনুভূতির কথা বলছিলেন। এর পরেই শিউলি ম্যাডাম তার হাসিমাখা মুখ নিয়ে ফেসবুক লাইভ শুরু করলেন সেই সাথে বলছিলেন আমাদের এই ভ্রমণের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে। 
প্রত্যেক স্যার একে অন্যের সাথে বা গ্রুপ আকারে আলাপচারিতা শুরু করে দিলেন। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। আবু হোসেন স্যার হাসি হাসি মুখে তার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা আমায় বলছিলেন আমিও মুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম।
এমন আনন্দমুখর পরিবেশে, প্রকৃতির লীলাভূমিতে এসে গান না হলে তো আনন্দটা মাখোমাখো হয় না। তাই মোফাককারুল স্যার চিৎকার দিয়ে বলে উঠলেন- “এখন গান হবে”‌। সাথে সাথে সবাই স্যারের কন্ঠের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে শুরু করলেন- ” হ্যাঁ হ্যাঁ এখন গান হবে”।শামীম স্যার কে দিয়ে শুরু হলো গানের আসর। স্যার দের সামনে যা ছিল তা দিয়েই তারা বাদ্যযন্ত্রের কাজটা শুরু করে দিলেন। একে একে মোফাককারুল স্যার, ফারুক স্যার, সুমন স্যার ও জিয়া স্যার তাদের সুরেলা কন্ঠ দিয়ে মাতিয়ে তোলেন গানের আসর। 


ও ভাই !  কি যে বলব তার ভাষাই খুঁজে পাচ্ছিনা। আমি হয়তো সে-রকমের কেউ নই যে, কথা দিয়ে আপনাকে বোঝাতে পারব। তবুও আমার এই আধো-আধো ভাঙ্গা-ভাঙ্গা কথার সাথে আপনার মনের মাধুরী আর রং মিশিয়ে বুঝে নিবেন।
ট্রলার যখন বাতাসে প্রতিকূলে যাচ্ছিল তখন রোমা ম্যাডামের নির্দেশনা মোতাবেক সুমন্ত স্যার ও মাহবুব স্যার আমাদের মাথার উপর থেকে সামিয়ানা টা নামিয়ে ফেললেন । দেখতে দেখতে আমরা পৌছে গেলাম খালিয়াজুরী  উপজেলা সদরে। এখানে চা বিরতির জন্য কিছু সময় অবস্থান করি। 
ভাবতে লাগলাম কি করে আমাদের এই ভ্রমণটা কে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারি । হঠাৎ করে আমার এই ছোট মাথায় একটা আইডিয়া চলে আসল। যদি একটা পুরস্কারের ব্যবস্থা করতে পারি তাহলে তো স্মৃতি হিসেবে এটাকে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারব। যেই কথা সেই কাজ আইডিয়াটা রুমা ম্যাডামকে বললাম তিনি সাথে সাথেই সরল, সাবলীল ও মায়া মাখা মুখে বললেন- জ্বী স্যার করতে পারেন। অনুমতি পাওয়ার সাথে সাথেই চলে গেলাম খালিয়াজুরী সদর বাজারের বিতর যেখানে ফারুক স্যার ও চঞ্চল স্যার ফল কিনায় ব্যস্ত ছিলেন। ফারুক স্যার ও চঞ্চল স্যার সহ আমরা ঢুকলাম একটি দোকানে। অনেক বাছা- বাছির পর পুরস্কার গুলো কিনে মালিককে বললাম- “দাদা আমাদেরকে একটি প্যাড দিতে পারবেন ?” মালিক দাদা বললেন- “দাদা আমার কাছে তো কোন পেড  নাই তবে কিছু অকেজো ভাউচার সিট আছে। এগুলো কি আপনাদের চলবে?” বললাম- ” হ্যাঁ, দাদা দেন এগুলো দিয়েই আমাদের কাজ চালিয়ে নিতে পারব।” দোকানের সকল কাজ মিটিয়ে আমরা এসে যোগদান করলাম অন্য স্যারদের সাথে।


সামান্য ঘোরাঘুরি করে কিছু ফটো-সেশন এর কাজ সম্পন্ন করে আবার রওনা হই কৃষ্ণপুরের উদ্দেশ্যে। ট্রলারে বসে দোকানদার দাদার সিট গুলো দিয়ে আমি আর চঞ্চল স্যার শুরু করেদিলাম লটারীর টিকেট তৈরির কাজ। ফারুক স্যার ও চঞ্চল স্যার এটার একটা নামও  দিয়ে দিলেন ” নো মিস লটারি” অর্থাৎ এখানে সকলেই পুরস্কার পাবেন তবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় জন অন্যদের তুলনায় একটু আলাদা পুরস্কার পাবেন।
কৃষ্ণপুর সরকারি কলেজে যাওয়ার পথে চোখে পড়ল বাংলাদেশের আইটি আইকন নামে খ্যাত মোস্তফা জব্বার স্যারের বাড়ি। মোস্তফা জব্বার এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। উনার সম্পর্কে বলার কিছু নাই, মোস্তফা জব্বারের জন্য মোস্তফা জব্বার নামটাই যথেষ্ট।
অবশেষে পৌঁছে গেলাম আমাদের কাঙ্খিত ঠিকানা কৃষ্ণপুর সরকারি কলেজ ঘাটে যেখানে আমাদেরকে রিসিভ করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন নেত্রকোনা জেলার বিজ্ঞ অ্যাম্বাসেডর কবির হোসেন স্যার, তার সহকর্মীদের নিয়ে। এক আনন্দমুখর পরিবেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে কবির হোসেন স্যার আমাদের নিয়ে গেলেন কলেজের অবস্থান রুমে।এখানে সে এক অন্য বাংলার রূপ দেখতে পেলাম মুগ্ধ নয়নে। বলতে ইচ্ছে করে মাগো কতরূপ লুকিয়ে আছে তোমার আঁচলের পরতে পরতে।সকল ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে গেল কৃষ্ণপুরের শীতল পবনে। দূর হতে দানবীয় রূপে আসা ঢেউগুলো আচড়ে পড়ছে কৃষ্ণপুরের কূলে। এ যেন আরেক সমুদ্র তটরেখা।
স্যারেরা তাদের পোশাক চেঞ্জ করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন কৃষ্ণপুরের ভালোবাসা অঙ্গে মাখার জন্য। ধামাল ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে গোসলের কাজ সেরে আমরা একত্রিত হলাম কলেজের ডাইনিং রুমে।কবির হোসেন স্যার আমাদের পরিচয় করিয়ে দিলেন সরকারি কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর কলেজের অধ্যক্ষ জনাব-আবুল কালাম আজাদ, প্রভাষক জনাব- হোসেন মোহাম্মদ সারোয়ার এবং আব্দুল জব্বার রাবেয়া খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব-মোঃ ঈমান আলী স্যারদের সাথে।
আতিথিয়েতা কাহাকে বলে তা যেন নতুন করে শিখিয়ে দিলেন কবির হোসেন স্যার সহ কৃষ্ণপুরের স্যারেরা। পড়েছিলাম প্রকৃতি মানুষের মন মানসিকতাকে বড় করে তোলে। যদি কৃষ্ণপুর না আসতাম তাহলে হয়তো এই বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার কপালে জুটতো না। এজন্য নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।
শুরু হল আমাদের দুপুরের খাবার পর্ব। আমাদের টেবিলের সাথেই বসে ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ স্যার এবং তিনি খাবার পরিবেশকদের  বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। সার্বিক তদারকি করছিলেন কবির হোসেন স্যার সহ অন্যান্য স্যারেরা।  শুটকি ভুনা সহ আট প্রকার মাছের আইটেম করা হল। একেকটা আইটেম খাচ্ছি আর মনে হলো এক প্রকারের অমৃত খাচ্ছি। হয়তো সারা জীবন ইহা মনে থাকবে। এখানে ধন্যবাদ বলার মত কিছু নাই। এটা বলতে গেলে হয়তো নিতান্তই ছোট করে দেখা হবে।
খাবার পর্ব শেষ করে সামান্য বিশ্রাম নেয়ার পর অনেক আনন্দ, উৎসাহ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে চলল লটারি ড্র এর কাজ। সকল স্যার ও ম্যাডামরা অত্যন্ত খুশী হল পুরস্কার হাতে পেয়ে। সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হলো বাবুরা যারা স্যার-ম্যাডামদের সাথে এসেছিল। মনে মনে বললাম এটাই তো চাইছিলাম। এমন অনাবিল আনন্দের উল্লাসে কার-না বলতে ইচ্ছে করে- আহা ! কি আনন্দ আকাশে-বাতাসে।
 এরপর আমরা শুরু করলাম কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনতা এবং মাক্স বিতরণ । মাহবুব স্যার, হাবিবুল্লাহ স্যার, নিলয় স্যার, সুমন্ত স্যার, তুহিন স্যার, মোফাক্কারুল স্যার, করির হোসেন স্যার, জিয়া স্যার, আবু হোসেন স্যার, নিলুফা ম্যাডাম, শিউলি ম্যাডাম, রোমা ম্যাডাম, ফারুক স্যার, চঞ্চল স্যার, সুমন স্যার,শামীম স্যার, শেখর মুখার্জি স্যার সহ সকল স্যারেরা মাক্স বিতরণে অংশগ্রহণ করেন। 
অনলাইন স্কুল কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে জানতে পারলাম বিষয়টি ভাল ভাবে প্রভাব ফেলেছে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর। অভিভাবকরাও অনেক আশাবাদী হয়ে উঠেছেন অনলাইন স্কুল কার্যক্রমের উপর।উক্ত কার্যক্রম শেষ করে কবির হোসেন স্যার আমাদেরকে নিয়ে গেলেন সরকারি কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর কলেজের হোস্টেল পরিদর্শনে। কি মনোরম দৃশ্য ! দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়।ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা দেখতে গিয়ে মনে পড়ে গেল মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝির কথা।যাইহোক সবকিছু ভাল ভাবে শেষ হওয়ার পর চলে আসল বিদায়ের পালা।মন বলতে লাগল-                 

  হায় রে,  যেতে নাহি মন চায়               

   তবু যে চলে যেতে হয়।


সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রওনা হলাম বাড়ির উদ্দেশ্য। পড়ন্ত বিকেল, আসন্ন গোধূলি লগ্ন, আকাশে চড়া চড়া মেঘের ভেলা, সূর্যের শেষ বেলার হাসি ধরণীকে যেন সাজিয়ে দিলো মন-ভোলানো নতুন রূপে তারি মাঝে ধরণীকে বুক ভরে আলিঙ্গন করার মোদের আপ্রাণ চেষ্টার অপরূপ সৌন্দর্য্য ধরা পড়ে চঞ্চল স্যারের ক্যামেরার ফ্রেমে। তা নিচের স্থিরচিত্রে দেখতে পাবেন।
স্রষ্টার কি সৃষ্টি ! তা ভাবতে ভাবতে আপন মনে মাথা নত হয়ে আসল।
হয়তো অনেকটা সময় আপনাদের নষ্ট করে ফেললাম। তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।


আরিফ আহমেদ শাহ

সহকারী শিক্ষক

গগডা উচ্চ বিদ্যালয়,কেন্দুয়া-নেত্রকোনা।

SHARE